সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:০২
শিরোনাম :
মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা

জাপানে বেকার স্বামীর ছুরিকাঘাতে বাংলাদেশি নারী খুন

জাপানে নিজের স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশি এক ব্যক্তি।

পরে তাকে আহতাবস্থায় আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে পুলিশ।

নিহত ওই নারীর নাম শামীমা আক্তার (৪০)। তিনি টোকিওর ন্যাশনাল সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন হাসপাতালে এপিডোমলজি বিভাগের প্রধান ছিলেন।

আর নিহতের স্বামীর নাম বিএম শাহাদাত হোসেন (৫১)। তিনি দীর্ঘ দিন যাবত বেকার।

জানা গেছে, টোকিওর উপকণ্ঠে সায়তামা প্রদেশের মাসুশিগে শহরের এক বাসায় থাকতেন বাংলাদেশি এ দম্পতি।

পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত শনিবার শামীমার এক ভাই পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন যে ওই দম্পতিকে তারা খুঁজে পাচ্ছেন না। এরপর পুলিশ তাদের খোঁজে মাঠে নামলে শাহাদাতকে টোকিওর এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উদ্ধার করে।

পরে ঘটনা তদন্ত করে পুলিশ জানায়, শাহাদাত গত সোমবার তার স্ত্রীকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে হত্যার পর নিজে ট্রেনের নিচে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলে নিরাপত্তাকর্মীরা উদ্ধার করে তকে হাসপাতালে পাঠায়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশ সায়তামার ওই বাসা থেকে শামীমার লাশ উদ্ধার করে।

শাহাদাত তার স্ত্রীকে খুন করার কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

স্থানীয় বাংলাদেশিরা জানিয়েছে, শামীমা চাকরি করলেও তার স্বামী শাহাদত ছিলেন বেকার।

শামীমা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। এরপর টোকিওর ন্যাশনাল সেন্টার ফর গ্লোবাল হেলথ অ্যান্ড মেডিসিন হাসপাতাল থেকে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

২০১১ সালে একই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা শুরু করেন। শামীমা এই হাসপাতালের এপিডোমলজি বিভাগের প্রধান ছিলেন।